Breaking News

২০ জন হলেই মসজিদের গেট বন্ধ, জায়গা না পেয়ে রাস্তায় নামাজ আদায়

ক’রোনা ভাই’রাসের সং’ক্র’মণ ও স্বাস্থ্যঝুঁ’কি এড়াতে এবারও রোজায় মসজিদে তারাবির নামাজ আদায়ে মুসল্লির সংখ্যা নির্দিষ্ট করে দিয়েছে স’রকার। খতিব, ইমাম, হাফেজ ও মুয়াজ্জিনসহ সর্বোচ্চ ২০ জন মুসল্লি অংশ নিতে পারবেন তারাবিতে।

মসজিদে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদা’য়ের ক্ষেত্রেও দেওয়া হয়েছে একই নির্দেশনা। ১৪ এপ্রিল থেকে এ নির্দেশনা কার্যকরের কথা থাকলে আজ থেকে তারাবি শুরু হওয়ায় অনেক মুসল্লি মসজিদে প্রবেশ করতে পারেননি।

রমজানের প্রথম তারাবিতে মসজিদে প্রবেশ করতে না পেরে ক্ষো’ভ প্রকাশ করেন অনেক মুসল্লি। এ সময় মসজিদের গেট বন্ধ থাকায় রাস্তায় দাঁড়িয়েই নামাজ আদায় শুরু করেন তারা।

মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) রাজধানীর সোবহানবাগ জামে মসজিদ, শুক্রাবাদ বাজার জামে মসজিদসহ আশপাশের মসজিদগুলোতে এ চিত্র দেখা যায়। এসব এলাকার মসজিদগুলোতে এশার নামাজের আজানের সময়ই মুসল্লিদের মসজিদে না আসতে উৎসাহিত করা হয়।

এরপর স’রকারি নির্দেশনা অনুযায়ী খতিব, ইমাম, হাফেজ, মুয়াজ্জিন ও খাদেমসহ ২০ জন মুসল্লি হওয়ার পরই মসজিদের প্রধান প্রবেশদ্বার আ’টকে দেওয়া হয়। এতে নামাজ পড়তে আসা অনেক মুসল্লি দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকেও মসজিদে প্রবেশ করতে না পেরে ক্ষো’ভ প্রকাশ করেন।

নামাজ আদায় করতে আসা ওসমান মাহমুদ বলেন, ‘অন্তত ফরজ নামাজ আদায়ের সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন ছিল। যেহেতু মসজিদ অনেক বড় তাই আমরা সবাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেই নামাজ পড়তে পারতাম। কিন্তু গেট আ’টকে দেওয়ায় মসজিদেই প্রবেশ করতে পারলাম না।’

শাহজাহান সরদার নামের আরেক মুসল্লি বলেন, ‘প্রথম তারাবিতে অন্তত ফরজ নামাজটুকু এবং ২-৪ রাকাত তারাবি পড়ার সুযোগ দেওয়া দরকার ছিল। এমন নির্দেশনায় আমরা অবাক হয়েছি।’

কঠোর প্রশাসন, ঢাকার রাস্তায়-রাস্তায় পুলিশের চেকপোস্ট

লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে ক’রোনাভা’ইরাসেের সং’ক্র’মণ ও মৃ’ত্যুর হার। কিন্তু এতেও কমেনি জনগণের উদাসীনতা। এ অবস্থায় জনস্বার্থে স’রকার আগামী বুধবার থেকে ‘সর্বাত্মক লকডাউনে’ যাচ্ছে স’রকার।

ক’রোনাভা’ইরাসেের সং’ক্র’মণ রোধে আজ বুধবার (১৪ এপ্রিল) ভোর ৬টা থেকে আটদিনের ক’ঠোর লকডাউন (বিধিনি’ষেধ) শুরু হয়েছে। আগামী ২১ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত এই বিধিনি’ষেধ বহাল থাকবে। ভোর থেকে ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেল ক’ঠোর লকডাউন কার্যকর করার জন্য পু’লিশ বিভিন্ন জায়গায় তৎপর রয়েছে।

শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় পু’লিশ চেকপোস্ট বসিয়েছে। এসব চেকপোস্টে গাড়ি থামিয়ে যাত্রীদের পরিচয় এবং রাস্তার বের হবার কারণ জিজ্ঞেস করা হচ্ছে। যেসব পেশার মানুষ জরুরি সেবার সাথে সম্পৃক্ত তাদের চেকপোস্ট অতিক্রম করার অনুমতি দিয়ে অন্যদের ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছে।

বহু রাস্তা বেরিকেড বসিয়ে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। সেসব রাস্তায় জরুরি সেবা সংস্থার কোন যানবাহনও যেতে পারছে না, যেতে হচ্ছে বিকল্প রাস্তায়। পু’লিশের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে বলা হয়েছে , বুধবার থেকে ক’ঠোর লকডাউন কার্যকর করতে স’রকার যে নির্দেশনা দিয়েছে তা বাস্তবায়নে এবার ক’ঠোর পদক্ষেপ নেয়া হবে। এজন্য ‘মুভমেন্ট পাস’ ছাড়া কাউকে বাড়ির বাইরে আসতে দেয়া হবে না বলে পু’লিশ জানিয়েছে।