Breaking News

হেফাজত নেতা মুফতি শরীফউল্লাহ গ্রে’ফতার

হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-প্রচার সম্পাদক মুফতি শরীফউল্লাহকে গ্রে’ফতার করেছে ঢাকা মহানগর গো’য়েন্দা পু’লিশ- ডি’বি। মুফতি শরীফউল্লাহ হেফাজতের মহানগর কমিটিরও সাংগঠনিক সম্পাদক। মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় যাত্রাবাড়ীর মীর হাজিরবাগ এলাকা থেকে তাকে গ্রে’ফতার করা হয়।

গো’য়েন্দা পু’লিশের অতিরিক্ত উপ-পু’লিশ কমিশনার (ওয়ারী) আজাহারুল ইসলাম মুকুল বি’ষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শরীফউল্লাহকে ২০১৩ সালের ৬ মে যাত্রাবাড়ী থানায় দা’য়ের হওয়া বিশেষ ক্ষ’মতা আইনের একটি মা’মলায় গ্রে’ফতার দেখানো হয়েছে। ওই মা’মলায় (নং ২০) তিনি এজাহারনামীয় আ’সামি।

পু’লিশের গো’য়েন্দা বিভাগ জানায়, ২০১৩ সালের ৫ মের তা’ণ্ডব ছাড়াও সাম্প্রতিক সময়ে হেফাজতের সহিং’সতার স’ঙ্গে তার যোগসূত্র রয়েছে। তাকে বুধবার (১৪ এপ্রিল) আ’দালতে সোপর্দ করে রি’মান্ডে নিয়ে জি’জ্ঞাসাবাদ করা হবে।

স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী ও মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দেশে আসা নিয়ে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক তা’ণ্ডব চা’লায় হেফাজতে ইসলাম। সম্প্রতি হেফাজতের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাস’চিব মাওলানা মামুনুল হকের রিসোর্টকাণ্ডের পর একে একে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের গ্রে’ফতারে অ’ভিযান শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

অমিত শাহকে কড়া জবাব দিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন

বাংলাদেশ নিয়ে বিজেপির সাবেক সভাপতি ও ভারতের কেন্দ্রীয় স্ব’রা’ষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের মন্তব্যের কড়া জবাব দিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন। অমিত শাহকে একহাত নিয়েছেন তিনি।

বলেছেন, বাংলাদেশ নিয়ে তার জ্ঞান সীমিত। আমাদের দেশে এখন কেউ না খেয়ে ম’রে না। এখানে কোনো মঙ্গাও নেই। মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ড. মোমেন একথা বলেন।

মঙ্গলবার ভারতীয় একটি গণমাধ্যমে অমিত শাহের একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশ করেছে। সেখানে অমিত শাহ বলেন, বাংলাদেশের গরিব মানুষ এখনো খেতে পাচ্ছে না। বাংলাদেশকে নিয়ে অমিত শাহের এমন বক্তব্যের বি’ষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন বলেন, পৃথিবীতে অনেক জ্ঞানী লোক আছেন,

দেখেও দেখেন না। জেনেও জানেন না। তবে তিনি (অমিত শাহ) যদি সেটা বলে থাকেন, আমি বলব- বাংলাদেশ নিয়ে তার জ্ঞান সীমিত। বরং ক্ষেত্র বিশেষে বাংলাদেশ তাদের দেশ থেকে অনেক এগিয়ে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভারতের ৫০ শতাংশ লোকদের ভালো কোনো বা’থরুম নেই। আর আমাদের ৯০ শতাংশ লোকই ভালো বা’থরুম ব্যবহার করেন। আমার দেশের শিক্ষিত লোকের চাকরির অভাব আছে।

তবে অশিক্ষিত লোকের চাকরির অভাব নেই। আর ভারতের লক্ষাধিক লোক বাংলাদেশে চাকরি করে। তাই আমাদের ভারতে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। তারা যদি এ ধরনের চিন্তা করে থাকেন, তাহলে আমি বলব- তাদের জ্ঞানের পরিধি বাড়াতে হবে।

Share