Breaking News

লকডাউনে ব্যাংক খোলার নতুন সি’দ্ধান্ত আসছে

ক’রোনা ভাই’রাসে আ’ক্রান্ত ও মৃ’ত্যু হার কমাতে আগামীকাল বুধবার থেকে স’রকার ঘোষিত লকডাউনে বিশেষ প্রয়োজনে ব্যাংক খোলার নির্দেশনা আসছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) বিশেষ প্রয়োজনে ব্যাংক সেবা প্রদানের অনুরোধ জানিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে চিঠি দেয়। ওই চিঠি পাওয়ার পর কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই সি’দ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে। এই নির্দেশনা অনুযায়ী, বিশেষে প্রয়োজনে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ব্যাংক খোলা থাকবে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনায় বলা হয়, ১৪ এপ্রিল থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারির জন্য আদেশক্রমে অনুরোধ।

এর আগে, গতকাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছিল, ১৪ থেকে ২১ এপ্রিল ব্যাংক শাখা বন্ধ থাকবে। তবে বন্দর এলাকার ব্যাংক শাখা খোলা রাখা যাবে।

খোদার গজব ক’রোনা, লকডাউন দিয়ে কোনো লাভ নেই: কাদের মির্জা (ভিডিও)

নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা বলেন, ক’রোনা আমাদের নিত্যস’ঙ্গী হয়ে গেছে। দু’র্নীতিবাজ মন্ত্রী, এমপি, স’রকারি কর্মকর্তাদের অ’পকর্ম, লু’টপাট ও গরিবের ও’পর অ’ত্যাচারের কারণে খোদার গজব ক’রোনা রো’গ আল্লাহ দিয়েছেন। এটা থেকে রক্ষার জন্য সবাই নামাজ-রোজা করা উচিত। অন্যরা নিজ নিজ ধর্ম-কর্ম পালন করা উচিত।

তিনি বলেন, লকডাউন দিয়ে কোনো লাভ নেই, কেউ লকডাউন মানে না। সাবান পানি নেই, হ্যান্ড স্যানিটাইজার নেই, মাস্কও পরে না, কিসের লকডাউন? দুইবার টিকা দেওয়ার পরও ক’রোনা আ’ক্রান্ত হচ্ছে মানুষ।

লকডাউন না দিয়ে স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন করাই উচিত। আল্লাহ রক্ষা করলে আমাদের রক্ষা করতে পারেন। মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে তার নিজ কার্যালয় বসুরহাট পৌরসভা থেকে ফেসবুক লাইভে এসে কাদের মির্জা এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বড় লোকেরা বিদেশে গিয়ে চিকিৎসা করছেন। তাদের অঢেল টাকা আছে। গরিব মানুষের তো কোনো উপায় নেই। সড়ক ম’ন্ত্রণালয়ের দু’র্নীতিবাজ স’চিব বেলায়েত ঠিকাদারদের থেকে চাঁ’দাবাজি করে ওই টাকা লন্ডনে তারেক জিয়ার জন্য পাঠায়। যারা দু’র্নীতি করে তারা এখন আমার কাছে ম্যাসেজ পাঠায়, ওদের স’ঙ্গে আমার কোনো আপস নেই। এদের স’ঙ্গে আমি আপস করি কীভাবে।

বসুরহাট পৌরসভার মেয়র বলেন, গত তিন মাস পর্যন্ত আমার ও’পর জু’লুম চলছে, কোনো বিচার পাচ্ছি না। এখন ম্যাসেজের পর ম্যাসেজ পাঠায় তারা। এসব দু’র্নীতিবাজদের স’ঙ্গে আমার কোনো আপস নেই।

এখানে প্রশাসন দু’র্নীতি ও ব্যবসায়ীদের জরিমানা করলে সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে ব্যবসায়ীরা চলে যাবে। কিসের এসব জরিমানা। আমি জনগণের স’ঙ্গে আছি থাকব। পু’লিশের ছত্রছায়ায় এখন আবার এখানে মা’দক ব্যবসা ও না’রী ব্যবসাসহ সব অ’পকর্ম চলছে।

উপজে’লা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াত খানকে উদ্দেশ করে কাদের মির্জা বলেন, খিজির হায়াত ইউএনও, এসিল্যান্ড, ওসির দপ্তরে যান। তার পকে’টে প্রকাশ্যে অস্ত্র দেখা যায়। এই এলাকায় এখন কোনো অভিভাবক নেই। অভিভাবক থাকলে এই এলাকায় এত অরাজকতা চলত না।

তিনি আরও বলেন, আমার ত্রাণ দেয়া শেষ, এখন আমি নগদ টাকা বিতরণ করছি। সবাইকে লক্ষ্য রাখতে হবে, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূ’ল্য যেন না বাড়ে। কেউ দ্রব্যমূ’ল্য বাড়িয়ে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করলে প্রশাসন যদি কিছু না করে জনগণকে স’ঙ্গে নিয়ে আমি প্রতিরোধ করব।

Share